![]() |
| Image: Representative(Credits: The Hindu) |
Hindu Voice Bangla: দুর্গা পূজায় ঠাকুর দেখানোর কথা বলে দুই হিন্দু নাবালিকাকে নিয়ে গিয়েছিল দুই মুসলিম যুবক। কিন্তু ঠাকুর দেখার বদলে নির্জন স্থানে নিয়ে যায় ওই দুই মুসলিম যুবক। তারপর ফোন করে আর দুই মুসলিম বন্ধুকে ডেকে নিয়ে আসে তাঁরা। তারপর নৃশংস অত্যাচার চালানো হয় ওই দুই হিন্দু নাবালিকার উপরে। ঘটনা উত্তর দিনাজপুর জেলার গোয়ালপোখর থানা এলাকার।
জানা গিয়েছে, গত ২০শে অক্টোবর তারিখে ওই দুই হিন্দু নাবালিকাকে ঠাকুর দেখানোর কথা বলে নিয়ে যায় দুই মুসলিম যুবক। ওই দুই হিন্দু নাবালিকাকে মোটর সাইকেলে করে ইসলামপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে ফেরার পথে আনুমানিক রাত দুইটার দিকে এক নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয় ওই হিন্দু নাবালিকাকে। সেখানে আরও দুই মুসলিম বন্ধুকে ফোন করে ডাকে ওই দুই মুসলিম যুবক। তারপর চার জন মিলে ওই দুই নাবালিকার উপরে নৃশংস অত্যাচার চালায়। ওই দুই হিন্দু নাবালিকাকে গণধর্ষণ করা হয়। এমনকি ঘটনা মোবাইলে রেকর্ড করে রাখে ওই যুবকরা।
ইতিমধ্যেই পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমে অভিযুক্ত চার মুসলিম যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতরা হলো মহম্মদ ইমরান, মহম্মদ সরফরাজ, মহম্মদ আরবাজ ও মহম্মদ আরফাদ।
গণধর্ষণে অসুস্থ হয়ে পড়ে ওই দুই হিন্দু নাবালিকা। তাদের মধ্যে এক হিন্দু নাবালিকা যার বয়স ১৫ বছর, গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ হতে থাকে। তখন ওই চার জন মুসলিম যুবক ওই হিন্দু নাবালিকাকে রাত্রি তিনটা নাগাদ দেবীগঞ্জ বাজারে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
![]() |
| ছবি: গ্রেপ্তার হওয়া চার অভিযুক্ত মুসলিম যুবক |
ওই দুই হিন্দু নাবালিকা ভোর পর্যন্ত দেবীগঞ্জ বাজারে পড়ে ছিল। পরের দিন সকালে স্থানীয়রা ওই দুই হিন্দু নাবালিকাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। স্থানীয়রাই ওই দুই হিন্দু নাবালিকার পরিবারকে খবর পাঠায়। বর্তমানে ওই দুই হিন্দু নাবালিকা চিকিৎসাধীন রয়েছে।
পরে এক হিন্দু নাবালিকার পিতা অভিযোগ দায়ের করেন গোয়ালপোখর থানায়। ইতিমধ্যেই পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমে অভিযুক্ত চার মুসলিম যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতরা হলো মহম্মদ ইমরান, মহম্মদ সরফরাজ, মহম্মদ আরবাজ ও মহম্মদ আরফাদ।



